ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন এখন মানুষের নিত্যদিনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ—সবকিছুতেই মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়ছে। তবে এর সঙ্গে বাড়ছে মোবাইল ভাইরাস ও সাইবার ঝুঁকিও। সামান্য অসতর্কতায় ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, আর্থিক ক্ষতি এবং ফোনের কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানান, অজানা উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করাই মোবাইল ভাইরাস সংক্রমণের অন্যতম প্রধান কারণ। তাই শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের মতো বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপ ইনস্টল করা উচিত। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ও সন্দেহজনক অ্যাপ দ্রুত মুছে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ফোনে নিয়মিত সফটওয়্যার ও সিকিউরিটি আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ এসব আপডেটের মাধ্যমে নতুন নিরাপত্তা ত্রুটি সমাধান করা হয়। একই সঙ্গে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা এসএমএস, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া ফোনে বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা মোবাইল সিকিউরিটি অ্যাপ ব্যবহার করলে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার না করা এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট/ফেস লকের মতো বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচেতন ব্যবহার ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই মোবাইল ফোনকে ভাইরাসমুক্ত রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।